Networking >> Lesson - 15

E-Mail, Search Engine, Social Networking, Network Security, Computer Virus & Firewall

ইমেল(E-mail) কী? এর কটি অংশ ও কী কী ?

ইমেল হল ইলেকট্রনিক মেল(Electronic Mail) হল ইন্টারনেটের একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিসেবা যার সাহায্যে বিশ্বব্যাপি চিঠিপত্র বা ফাইল আদান প্রদান করা যায় ।

ইমেলের মাধ্যমে চিঠিপত্র আদান প্রদানের জন্য ই-মেল আইডির প্রয়োজন । এই আই ডি বিভিন্ন ওয়েব সাইটে বিনামুল্যে পাওয়া যায়। এইরকম কয়েকটি ওয়েব সাইট হল www.google.com, wwww.rediff.com, www.yahoo.com  ইত্যাদি ।

একটি ই-মেল আই ডির দুটি অংশ থাকে । অংশ দুটির নাম হোষ্ট নেম/ইউজার নেম এবং ডোমেন নেম । এই অংশদুটি @ চিহ্ন দ্বারা বিভক্ত থাকে ।

যেমন- [email protected] এখনে abhijit123 হল হোষ্ট নেম এবং gmail.com হল ডোমেন নেম ।

হোষ্ট নেমের  সব অক্ষর ছোটো হাতের হয় ।

ই-মেলের দুটি সুবিধা লেখ

১। খুব সহজে চিঠিপত্র ছাড়াও বিভিন্ন ফাইল অ্যাটাচ করে পাঠান যায় ।

২। একই বার্তা অনেক জনকে এক সাথে পাঠান যায় ।

৩। পাসওয়ার্ড ব্যাবহার করে গোপনীয়তা বজায় থাকে ।

ই-মেলের দুটি অসুবিধা লেখ

১। ইন্টারনেট সংযোগ আবশ্যিক।

২। অবাঞিত মেল আটকানর ব্যবস্থা নেই ।

৩।ইমেলের মাধ্যমে ভাইরাস প্রগ্রাম কম্পিউটারে প্রবেশ করতে পারে ।

সার্চ ইঞ্জিন (Search Engine) কী ?

সার্চ ইঞ্জিন বলতে সাধারণত ওয়েব সার্চ ইঞ্জিনকে বোঝায় । এটি একটি অ্যাপ্লিকেশন সফট ওয়্যার যার সাহায্যে WWW থেকে প্রয়োজনীয় তথ্য খোজা হয় ।

প্রতিটি সার্চ ইঞ্জিনের নিজস্ব ডেটাবেস থাকে সেখান থেকে ব্যাবহারকারি সার্চ স্ট্রিং এর সাহায্যে নির্দিষ্ট তথ্য খুজে বের করে ।

সার্চ ইঞ্জিন ব্যাবহারকারী কে সরাসরি ফলাফল না দেখিয়ে ঐ তথ্য কোথায় কোথায় আছে তার একাধিক হাইপারলিঙ্ক রেফারেন্সের মাধ্যমে প্রদান করে ।

কতকগুলি জনপ্রিয় সার্চ ইঞ্জিন হল- Google, Bing, Yahoo, Ask ইত্যাদি ।

সোশ্যাল নেটওয়াকিং কী?

ইন্টারনেটের যে মিডিয়ার মাধ্যমে বন্ধুবান্ধব, আত্মিয়স্বজন বা অন্য কোনো ব্যাক্তির সঙ্গে যোগাযোগ, তথ্যের আদানপ্রদান ভাব বিনিময় বা অডিও ভিডিও ইত্যাদি আপলোড ডাউনলোড করা হয় তাকে সোশ্যাল নেটওয়াকিং বলে ।

সোশ্যাল নেটওয়াকিং এর সুবিধা

১। যে কোনো ভৌগলিক দুরত্বে সহজে এবং দ্রুত তথ্য আদান প্রদান করা যায় ।

২। সহজে নুতন দ্রব্যের বিঞ্জাপন দেওয়া যায় ।

৩। নিমিসে বিশ্বের গুরুত্ব পূর্ণ খবর ছডিয়ে পড়ে ।

সোশ্যাল নেটওয়াকিং এর অসুবিধা

১। উদ্দেশ্য প্রণোদিত কোন খারাপ খবর ছড়িয়ে সমাজের স্থিতাবস্থা বিঘ্নিত করে ।

২। সোসাল নেটয়াকিং এর প্রতি আসক্তি ব্যাবহারকারিকে অন্যানা কাজে বা দায়িত্বের প্রতি অনাগ্রহী করে তোলে ।

৩। অন্য ব্যাক্তির একাউন্ট হ্যাক করে অপরাধ মুলক কাজ করতে পারে ।

নেটওয়াকিং নিরাপত্তা ব্যাবস্থা কী ?

নেটওয়াকে তথ্য আদান প্রদানের সময় বাইরের কোনো অসৎ ব্যাক্তি তথ্য চুরি করতে, নষ্ট করতে বা নেটওয়ার্কের কোনো ক্ষতি সাধন করতে না পারে তার জন্য নেটওয়ার্কের নিরাপত্তার প্রয়োজন । আর এই নিরাপত্তার জন্য যে ব্যাবস্থা নেওয়া হয় তাকে নেটওয়াকিং নিরাপত্তা ব্যাবস্থা বলে ।

নেটওয়ার্কের নিরাপত্তার জন্য নিম্নলিখিত ব্যবস্থা অবলম্বন করা যায়- অ্যান্টিভাইরাস (Anti Virus), ফায়ারওয়াল (Firewall) এবং পাসওয়ার্ড (Password)

কম্পিউটার ভাইরাস বলতে কী বোঝ ? কম্পিউটারে ভাইরাস কীভাবে ছড়ায় ?

কম্পিউটার ভাইরাস একটি ক্ষতিকারক প্রোগ্রাম । এর পুর নাম Vital Information Resources Under Seize(VIRUS) । ফ্রেড কোহের প্রথম ভাইরাস নাম করন করেন । এটি ব্যাবহারকারীর অজান্তে কম্পিউটারে প্রবেশ করে এবং কম্পিউটারের বিভিন্ন রকম ক্ষতি করে ।

বহিরাগত ডেটা উৎস যেমন-CD, DVD, Pendrive, External Hard Disk ইত্যাদি থেকে ভাইরাস কম্পিউটারে প্রবেশ করে তছাড়াও ইন্টারনেটের মাধ্যমে ভাইরাস কম্পিউটারে প্রবেশ করে

বিভিন্ন প্রকারের ভাইরাস –

১। বুট ভাইরাস

২। ফাইল বা প্রোগ্রাম ভাইরাস

৩। ফ্যাট ভাইরাস(FAT Virus)

৪। রেসিডেন্ট ভাইরাস(Resident Virus)

৫। মাইক্র ভাইরাস (Micro Virus) ইত্যাদি ।

কম্পিউটার ভাইরাস আক্রান্তর লক্ষন

  • কম্পিউটারের গতি কমে যায় ।
  • কম্পিউটার হ্যাং হয়ে যায় ।
  • চালুহতে বেশি সময় লাগে ।
  • কম্পিউটারের ভিতরের ফাইল এমনিতে ডিলিট হয়ে যায় ।
  • হঠাৎ করে কম্পিউটার রিস্টার্ট হয়ে যায় ।
  • স্ক্রিনে কিছুক্ষন পরপর বিভিন্ন মেসেজ দেখায় ।
  • কম্পিউটার চালুহয়েই বন্ধ হয়ে যায় । ইত্যাদি ।

কম্পিউটার ভাইরাস থেকে কম্পিউটারকে কিভাবে সুরক্ষিত করবে ?

  • প্রয়োজন ছাড়া বাইরের ডিস্ক ব্যবহার না করা ।
  • সতর্কভাবে ইন্টারনেট ব্যাবহার করা ।
  • অ্যান্টিভাইরাস ব্যবহার করা ।
  • সবসময় ডেটার ব্যাকআপ রাখা ।
  • ফ্রী সফটওয়্যার বেশি ব্যাবহার না করা ।
  • কম্পিউটারকে অপরিচিত ব্যাক্তিকে ব্যাবহার করতে না দেওয়া । ইত্যাদি ।

ফয়ারওয়াল (Firewall) কী ?

ফয়ারওয়াল হল একটি বিশেষ সফটওয়্যার বা হার্ডওয়ার ভিত্তিক নিরাপত্তা ব্যাবস্থা । এই ব্যবস্থায় নেটওয়ার্ক থেকে আগত ডেটা প্যাকেটগুলি কে বিশ্লেষন করে কম্পিউটারে  প্রবেশের  অনুমতি দেয় । বেশিরভাগ অপরেটিং সিস্টেমে ফায়ারওয়াল সফটওয়্যার থাকে যার সাহায্যে  প্রাথমিকভাবে নেটওয়ার্কের  বহিঃশত্রুর আক্রমণ থেকে রক্ষা পায় ।

অথাবা

এক সেট নিয়মনীতি মাধ্যমে কম্পিউটারের ইনকামিং ও আউটগোয়িং ডেটা প্রবাহ নিয়ন্ত্রন ও প্রয়োজনে তা ফিল্টার  করা যায় তাকে  ফায়ারওয়্যাল বলে ।

ফয়ারওয়াল (Firewall) কী ভাবে কাজ করে ?

  • এটি কম্পিউটার সিস্টেমে ডেটা ট্রাফিকের কাজ করে।
  • সন্দেহজনক ফাইল কে প্রবেশে বাধা প্রদান করে ।
  • অননুমোদিত(Unauthorized) ব্যাহারকারীদের নেটওয়ার্ক অ্যাকসেস করতে দেয় না ।
  • নেটওয়ার্কের গোপনীয়তা রক্ষা করে ।
Footer Section

Leave a Reply